ব্লগ পোষ্ট

বিভিন্ন তথ্যের আপডেট পেতে ব্লগ পোষ্ট ফলো করুন।

কবি জীবনানন্দ দাশ এর স্মৃতিতে

কবি জীবনানন্দ দাশ এর স্মৃতিতে

‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়, হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে’— এই অনবদ্য অমর পঙক্তির রচয়িতা কবি জীবনানন্দ দাশ।

বাংলা কবিতার ভুবনে এক অনন্য নক্ষত্র হিসেবে পরিচিতি কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের এই দিনে বরিশাল জেলায় এক সাহিত্যানুরাগী পরিবারে জন্ম নেন।

পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন শিক্ষাবিদ, মা কুসুমকুমারী দাশ নিজেও একজন কবি ছিলেন। তার লেখা ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে’ কবিতাটি আজও সমান জনপ্রিয়। পারিবারিক সাহিত্যচর্চার আবহেই গড়ে ওঠে জীবনানন্দের কাব্য বোধ। 

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি বিভিন্ন কলেজে অধ্যাপনা করেন। 

কিন্তু কর্মজীবনের চেয়ে তার অন্তর্জীবনই ছিল বেশি বিস্তৃত। নিঃসঙ্গতা, নীরবতা আর গভীর চিন্তার ভেতর গড়ে ওঠে তার নিজস্ব কাব্যভুবন। তিনি হয়ে ওঠেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী কবি। 

তার লেখা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ যেন হারানো বাংলার পুনর্নির্মিত এক ছবি। এই কাব্যগ্রন্থের অনেক কবিতাই কবির জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। মৃত্যুর পর পাণ্ডুলিপি আবিষ্কৃত হলে বাংলা সাহিত্য যেন নতুন করে জীবনানন্দকে খুঁজে পায়।

তবে বরিশালে কবির জন্মদিনে আলোচনায় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘১৯৩৫-১৯৪৬ সাল পর্যন্ত সরকারি ব্রজমোহন কলেজে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন জীবনানন্দ দাশ। তার স্মৃতি স্মরণে এই কলেজে একটি ছাত্রাবাস থাকলেও, কবির রচনা পাঠ ও গবেষণা কার্যক্রম চালানোর মতো কোনো কিছু গড়ে ওঠেনি।’

বাইরে থেকে কবিকে দেখতে এসে বরিশালে কোথাও তার স্মৃতি খুঁজে না পেয়ে, অনেকেই হতাশ হয়ে চলে যান বলে জানান বক্তারা। 

তাদের মতে, কবি জীবনানন্দ দাশ শুধু বাংলা ভাষার একজন কবি নন, তিনি বিশ্ব সাহিত্যের একটি অনন্য অংশ। 

তাই কবির স্মৃতি সংরক্ষণ ও কবিতা চর্চার জন্য গবেষণা কেন্দ্র, বৃহৎ পরিসরে লাইব্রেরি ও স্মৃতি সংগ্রহশালা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশালের কবি ও সাহিত্যিকরা।



কবি জীবনানন্দ দাশ এর স্মৃতিতে | DWJalil.com

MA Jalil

জমি-জমা সংক্রান্ত যেকোনো দলিল তৈরির ক্ষেত্রে সামান্য একটি ভুলও ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই প্রতিটি ধাপেই আমি সর্বোচ্চ সতর্কতা, স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করি।